দেশে চালু হলো ‘ব্যাংকাস্যুরেন্স'।এখন থেকে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বীমা কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারবে। একই সঙ্গে বীমা পণ্য বিপণন ও বিক্রির ব্যবসা করতে পারবে ব্যাংকগুলো।গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।এতে বলা হয়েছে,বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যাংকাসুরেন্স প্রবর্তন করা হয়েছে।ব্যাংক কোম্পানি আইন,১৯৯১-এর ৭(১)(ল) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনক্রামে সব তফসিলি ব্যাংক বীমা কোম্পানির ‘করপোরেট এজেন্ট' হিসেবে বীমা পণ্য বিপণন ও বিক্রয়ের ব্যবসা ১২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার)থেকে করতে পারবে।সংশ্লিষ্টরা জানান,ব্যাংকাস্যুরেন্স একটি ফরাসি শব্দ।১৯৮৩ সালের দিকে ফ্রান্স ও স্পেন প্রথম চালু করে। ইউরোপের বেশিরভাগ দেশে ব্যাংকের মাধ্যমে জীবনবীমা পলিসি বিক্রি হয়।এশিয়ার বিভিন্ন দেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।প্রতিবেশী দেশ ভারতে এটি চালু হয় প্রায় তিন যুগ আগে।পাকিস্তান,শ্রীলঙ্কাও ব্যাংকাস্যুরেন্সে অনুমোদিত নীতিমালা ও নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যাংকাস্যুরেন্স বাস্তবায়িত হবে।যার কারণে বীমা কোম্পানি মূলত দেশের সফলতা পাবে বলে আশা করছে।ব্যাংকগুলোর শাখার মাধ্যমে।সহজ কথায় বলতে গেলে বীমা কোম্পানির করপোরেট এজেন্ট বা দেশে ব্যাংকের মোট শাখা রয়েছে ১১ হাজার ২৩৯টি।এর মধ্যে গ্রামে শাখা আছে।৫ হাজার ২৮৭ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে ব্যাংক।দীর্ঘদিন ধরেই এমন অভিযোগ রয়েছে যে,বীমা খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা তুলনামূলক কম,তাই ব্যাংকাসারেন্স হতে পারে মানুষের ভরসার জায়গা।ধারণাটি এমন যে,বীমা পণ্যের জন্য গ্রাহকদের বীমা কোম্পানিতে যেতে হবে না, ব্যাংকের শাখায় গেলেই চলবে।অর্থাৎ ব্যাংক তার নিজের গ্রাহকের কাছে ব্যাংকিং পণ্যের পাশাপাশি বীমা পণ্যও বিক্রি করবে।পণ্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে পেনশন,স্বাস্থ্য,দুর্ঘটনা,দেনমোহর,শিক্ষা, ওমরাহ হজ ইত্যাদি।বলা হয়েছে,বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংকগুলো ব্যাংকাস্যুরেন্সের এজেন্ট হতে পারবে।এ জন্য বীমা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। তবে কোনো ব্যাংকাস্যুরেন্স এজেন্ট তিনটির বেশি বীমা কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে না।এ জন্য বীমা কোম্পানিকে আইডিআরএ এবং ব্যাংকাসারেন্স এজেন্টকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী দেশে ব্যাংকের মোট শাখা রয়েছে ১১ হাজার ২৩৯টি।এর মধ্যে গ্রামে শাখা আছে ৫ হাজার ২৮৭টি।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com