1. admin@auchsangbad.com : admin :
অসহায় রহিমার জীবনের লোমহর্ষক গল্প,সরের হাট এতিমখানায় কেটেছে ৩ বছর - আউচ সংবাদ প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ময়মনসিংহ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড কিপার মিজানুরকে ঘিরে নানা অভিযোগ হোসেনপুরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনের ফেইক টিকেট চক্রের হোতা ‘কালু’ আটক, ৪০ টিকেট উদ্ধার হালুয়াঘাটে এনএসআইয়ের বিশেষ অভিযানে ভারতীয় চোরাই গরু আটক ত্রিশালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা, ঈদের আগে শিশুপার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্যোগ দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ মন্ত্রীর ঈশ্বরগঞ্জে সারের লাইসেন্স বিতরণ নিয়ে এমপি বাবুর ক্ষোভ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী’র নির্দেশে সবুজে ঘেরা বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শনে পরিবেশমন্ত্রী পূজায় নাশকতা-উসকানি বরদাশত নয়, মাঠে থাকবে কঠোর পুলিশ: ডিআইজি ময়মনসিংহে শফিকুল ইসলাম সবির হত্যা তিন ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন কটিয়াদীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মহরম আলী ওরফে মঞ্জুর আলীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক আসামিকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ভৈরব থানার ওসির বিরুদ্ধে! পাকুন্দিয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলা ও বাড়ি ঘর ভাংচুর চৌদ্দগ্রামে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক সেমিনার ও সততা ষ্টোর উদ্বোধন সর্বজনীন পেনশন ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শিক্ষক বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে আলোচনা সভা ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্যে নানা কর্মসূচি জাপানের কিয়োটোতে 46th SICOT Congress-এ যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশ্যে টোকিও ত্যাগ করলেন ডা. এম কামরুজ্জামান মানিক বিএনডিএসের ১ম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ঘোষণা সভাপতি মোঃ শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহনূর কিবরিয়া সুজন হোসেনপুরে বিএমইউজে-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত কিশোরগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আইসিটি বিভাগে নিয়োগের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার কোটি টাকা : ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর পকেটে হাজার কোটি টাকা মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারন্টেনডেন্ট গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত সংস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রায় কোট টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তথ্য গোপন করে ঘুষ দিয়ে চাকরি, চাকুরী হওয়ার পর স্বামীকে তালাক

অসহায় রহিমার জীবনের লোমহর্ষক গল্প,সরের হাট এতিমখানায় কেটেছে ৩ বছর

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২১৫ বার পঠিত

আবুল হাশেম,রাজশাহী ব‍্যুরোচীফঃ

ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক নাগরিক ভাবনা সিদ্ধান্ত নেয় উন্নয়নে বাংলাদেশ শীর্ষক সাপ্তাহিক বিশেষ আয়োজনের।সারা বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরা হয় এ আয়োজনে।ধারাবাহিক ভাবে নাগরিক ভাবনার চৌকষ সাংবাদিক দল অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করে।প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় সরকারের উন্নয়ন এবং উন্নয়নে অনিয়মের বিষয়ে।অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় ঢাকা থেকে অনুসন্ধানী সাংবাদিক দল আসেন তালিকাভুক্ত সরকারি ক্যাপিটেশনের টাকায় পরিচালিত হওয়া সরেরহাট কল্যাণী শিশু সদন নামের একটি এতিমখানায়।এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ১শ’জন এতিমের বিপরীতে সরকারি ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট হিসেবে পান বছরে ২ কিস্তিতে ২৪ লক্ষ টাকা।কিন্তুু সেখানে নামে মাত্র কয়েক জন এতিম নিবাসী পাওয়া যায়।এছাড়াও সরেরহাট কল্যাণী শিশু সদনের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগে নানা অনিয়ম-দূর্নীতির তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিক দল খুঁজে পান রহিমা নামের এক ভুক্তভোগীকে।জানা যায়,রহিমার একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী।তার জন্ম রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ভায়ালক্ষীপুর ইউনিয়নের বাঁকড়া গ্রামে।তার পিতা মৃত.আফসার মিয়া।মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি পিতাকে হারান।পরবর্তীতে মাতা হুনুফা কেও হারাতে হয়। এর পর অনেক দুঃখ কষ্টে বেড়ে উঠা রহিমার বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী বাঘা উপজেলার হাবাসপুর এলাকার মৃতঃ আব্দুল হালিম মোল্লার সাথে।সংসার জীবনে তার কোল জুড়ে আসে দুটি পুত্র সন্তান।বড় ছেলে মাঈনুল ইসলাম এবং ছোট ছেলে জিহাদ কাওসার।দুই সন্তানের জননী রহিমার সংসার জীবন বেশ ভালোই চলছিল।কিন্তুু হঠাৎ করেই তার জীবনে নেমে এলো কালবৈশাখী ঝড়।নিমিষেই অন্ধকার নেমে এলো তার জীবনে।তার ছোট ছেলে জিহাদ কাওসারের বয়স যখন ৫ বছর।ঠিক তখন তার স্বামী মারাত্নক অসুস্থ হয়ে পড়েন।চিকিৎসা করা হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে।এ সময় অর্থের যোগান দিতে মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই,বাড়ির ভিটে খানাও বিক্রি করতে হয়।ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে রহিমার শেষ চেষ্টা টুকুও ব্যার্থ হয়।চিকিৎসা কালে তার স্বামী মৃত্যু বরণ করেন। এতে রহিমা অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়েন।দুঃখ কষ্টে ভরা বিভিষীকাময় জীবন নিয়ে দিশেহারা রহিমা।রহিমার দেওয়া তথ্যানুসারে,তিনি সরের হাট কল্যাণী শিশু সদনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক পল্লী চিকিৎসক শামসুদ্দিন @ শমেস কে বাবা আর তার স্ত্রী কে মা বলে সম্বোধন করতেন।স্বজন হারা রহিমা ভেবেছিলেন তাদেরকেই আপন করে এখানেই কাটিয়ে দিবেন জীবনের বাকী অংশ।কিন্তুু বিধিবাম, ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেখানেও বেশি দিন থাকতে পারেনি রহিমা।কথায় আছে জঅভাগা যে দিকে যায়, সাগর শুখিয়ে যায়।তিনি জানান, এতিমখানাটিতে তেমন কোন লোকজন থাকে না।নিয়মিত থাকে মাত্র কয়েকজন নিবাসী।যখন কোন সাংবাদিক কিংবা সরকারী কোন কর্মকর্তা তদন্তে আসে তখন পাশের মাদ্রাসা ও এলাকা থেকে বাচ্চাদের ডেকে আনে।তারপর আবার যা তাই,এভাবেই চলতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।এতিমখানা নিবাসীদের দেওয়া হয় বাঁশী পঁচা খাবার।প্রতিবাদ করলেই শুনতে হয় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ। এমনকি হতে হয় মারধরের শিকার।আর মারধর ও গালিগালাজ করতেন এতিমখানাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের ছোট ছলে শাহদোলা মনসুর @ চঞ্চল। অসহায় এতিমদের প্রতি নির্যাত দেখেও চুপ থাকতে শামসুদ্দিন ও স্ত্রী এবং বড় ছেলে কমল।রহিমা অভিযোগ করে বলেন, শুধু বাঁশী পঁচা খাবারই নয় কোরবানির ঈদের দিনেও এতিমের ভাগ্যে জোটেনা একটুকরা গোস্ত।ফ্রিজ ভর্তি করে গোস্ত রেখে দেয়।কত মানুষ শীতের সময় কম্বল দেয়, যাকাতের কাপড় দেয়।আমাদের কে নামমাত্র কিছু দিয়ে বাকিগুলো বিক্রি করে।বলতে গেলে এখনও শরীর শিউরে ওঠে, একদিন আমার সাথে থাকা এক মহিলাকে ঘরের দরজা বন্ধ করে বেধড়ক মারপিট করে চঞ্চল। মাইরের চোটে ওই মহিলা রক্তাক্ত জখম হয়।আমি খুব ভয় পেয়ে যায়!তারপরও বিপদ দেখে থেমে থাকতে পারিনি। আহত অবস্থায় ওই মহিলাকে নিয়ে থানায় গেলে পুলিশ বলে আগে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান পরে দেখছি।তখন বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ সময় একজন সাংবাদিকের সাথে দেখা হয়। ওই সাংবাদিক ভুক্তভোগীর বক্তব্য শুনে ছবি তুলে এতিমখানায় গেলেও কোন সংবাদ প্রকাশ করেনি।পরের দিন আহত ওই নারী একটু সুস্থ হলে পুনরায় থানায় যাওয়া হলে অজানা কারণে পুলিশ কোন অভিযোগ গ্রহন করেনি। পরে আমি আবার এতিমখানায় গিয়ে রাতের খাবার খেতে বসি।তখন চঞ্চল এসে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ভাতের থালা কেড়ে নিয়ে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে ও আমার ছেলেকে এতিমখানা থেকে বের করে দেয়।অনেক কষ্ট বুকে চেপে নিরবে চোখের জল ফেলে সেখান থেকে চলে এসেছি।এখন প্রশ্ন হলো এতিমখানা কর্তৃপক্ষের কাছে যখন মার খেয়ে রক্তাক্ত হতে হয় তখন এই অসহায়েরা কি সেখানে নিরাপদ?এতিমের জন্যে আসা অনুদানের সব কিছু নিয়ে যখন তারা আখের গোছাতে ব্যস্ত।তখন এটি কিভাবে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হতে পারে প্রশ্ন রয়ে যায়?অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রথমে তারা কম্বল বিক্রি করত বাঘার এক কম্ব বিক্রেতার কাছে। পরবর্তীতে বিষয়টি সচেতন মহলে কানাঘুঁষা হতে থাকলে তারা এলাকা থেকে দুরে নাটোরের বনপাড়ার একটি দোকানে বিক্রি করতেন।আর ফ্রিজে রাখা গোস্তও বাদ পড়েনা বিক্রি হতে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ আউচ সংবাদ প্রতিদিন
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!