নিজস্ব প্রতিবেদক:
নিকলীতে আজও রয়েগেল চাঁদাবাজির মহা সিন্ডিকেট,যে সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে ভয় পায়। রাত পোহনোর আগেই হয় ছিনতাই,অপহরণ,ইভটিজিং,মাদক,চাঁদাবাজির ঘটনা শোনা যায় হরহামেশায়,এর ধারাবাহিকতা কে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের নিকলিতে ঝড় উঠেছে চাঁদাবাজির অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে নিকলী বিভিন্ন হোটেল প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে গরুর হাট-বাজারে আদম ব্যবসায়ী আলী জামশেদ নামের এক হত্যা মামলার আসামি বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ।আলী জামশেদ নিকলী উপজেলা জারইতলা ইউনিয়নের সাজনপুর আঠারো বাড়িয়া গ্রামের মৃত মোসলিম মিয়ার ছেলে। জানা যায়,দুই সপ্তাহ আগে
নিকলী সাজনপুর গরুরহাটে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়াতে ইজারাদার মোঃ আলম মিয়া কে লাঞ্ছিতের ঘটনা। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ইজারাদার মোঃ আলম মিয়া বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার নিকলী থানায় আলী জামশেদের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেন। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় নিকলীতে এখন চাঁদার স্বর্গরাজ্য পরিণত হয়েছে,অভিযোগ উঠেছে সাত-আট মাস আগে নিকলী আলম রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা মো: জাহাঙ্গীর আলম এর কাছ থেকে এই চক্রের বিরুদ্ধে পাঁচ লক্ষ টাকার চাঁদার অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে আলম রিসোর্টের এর প্রতিষ্ঠাতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এই চাঁদাবাজ ও অপসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নিকলী থানায় তিনটি চাঁদাবাজির অভিযোগ দিলে ও অভিযোগটি একটি প্রভাবশালীর চক্রের কারণে মামলা গ্রহণ করা হয়নি বলে মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে এই সূত্রে জানা যায়। এই ব্যাপারে সাজনপুরের আঠারো বাড়িয়ার এক ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য মোঃ চাঁন মিয়া জানান,আমি একজন সাধারন মানুষ এই চাঁদাবাজ অপ-সাংবাদিকের চক্রটির মূল হোতা হল হত্যা মামলার কুখ্যাত আসামি আলী জামশেদ। তার বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে,আদম ব্যবসা,চাঁদাবাজি,মাদক,অপহরণ,ছিনতাইসহ সাজনপুর গ্রামের গোলাপ মিয়া ও সাজনপুর আঠারো বাড়িয়া রাজন মিয়ার কাছ থেকে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে বিশ থেকে পঁচিশ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই অপকর্মের কারণে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তানের জননী তাকে রেখে পালিয়ে চলে যায়।তিনি আরো জানান,কিছুদিন আগে আমার কাছ থেকে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন,আমি টাকা না দেওয়াতে আমার উপর একটি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে আমাকে মিথ্যা হয়রানি করেন। এই নিয়ে ইজারাদার মোঃ আলম মিয়া জানান,দুই সপ্তাহ আগে আমার কাছে আলী জামশেদ নামে এই কুখ্যাত আদম ব্যবসায়ী পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন,আমি টাকা না দেওয়াতে আমাকে লাঞ্ছিত করেন এবং হত্যার হুমকি দেন,আমার হাত পা বেঁধে টুকরো টুকরো করে পানিতে ভাসিয়ে দিবে।এ নিয়ে আলী জামশেদ কে মোটো ফোনে যোগাযোগ করলে সে ফোন রিসিভ করেননি।এ ব্যাপারে নিকলি থানার ওসি মোহাম্মদ মনসুর আলী আরিফ জানান,ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট মোহাম্মদ সাঈদুল হক সাঈদ শাওন,সম্পাদক ও প্রকাশক : এফ এম আব্বাস উদ্দিন,
ঠিকানা : এ এস গন্ধী প্লাজা ৪র্থ তলা জেলা স্বরণী মোড়,কিশোরগঞ্জ।মোবাইল : ০৯৬৯৭৬৪৮০৩৫, ০৯৬৩৮৯২৩৫২৪,০১৬১৫৩১৮০৩৫ই-মেইল :
auchsangbad@gmail.com