কিশোরগঞ্জ সদর সহ ৪ উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার অফিসে কর্মকর্তা না থাকায় সেবা সুবিধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হাজারো গ্রাহক।
জানাগেছে, আইন মন্ত্রনালয়াধীন নিবন্ধন পরিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সেবা প্রদানকারী এ কার্যালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত সাব রেজিস্ট্রার ই হলেন একমাত্র কর্মকর্তা । এ পদের বিপরীতে কোন বিকল্প কর্মকর্তার পদও সৃস্টি না হওয়ায় সেবা প্রদানকারীর অবর্তমানে সেবার দরজাও বন্ধ থাকে।
যদিও সাময়িক ভাবে স্হানীয় ব্যবস্হাপনায় খন্ডকালীন সাব রেজিস্ট্রার দিয়ে জরুরী কাজ সমাধান দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা রেজিষ্টার।
জেলার হোসেনপুর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার এর পদটি শূন্য রয়েছে দীর্ঘ দেড় বছর যাবত। তাড়াইল উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার এর পদটি শূন্য আছে দেড় বছর যাবত। হাওর বেষ্টিত নিকলী উপজেলায় সাবরেজিস্টার এর পদটিও দীর্ঘ এক বছর যাবত শুন্য আছে। কিশোরগঞ্জ সদর সাব রেজিস্ট্রার এর পদটিও একবছর যাবত শূণ্য।
কিশোরগঞ্জ সদর সাব রেজিস্ট্রার এর খন্ডকালীন কাজ পরিচালনা করছেন দ্বৈতভাবে মিটামইন উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার সূজন বিশ্বাস ও ইটনা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার মোঃ সালাহউদ্দিন আহাম্মেদ।
হোসেনপুর উপজেলার খন্ডকালীন দায়িত্ব পালন করছেন বাজিতপুর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার মোঃ মাহাবুব হোসেন, নিকলী উপজেলা কার্যালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন কটিয়াদী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুল মোতালেব, তাড়াইল উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের খন্ড কালীন দায়িত্ব পালন করছেন মিটামইন উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার সূজন বিশ্বাস।
এ বিষয়ে এ প্রতিনিধি জেলা রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ আবু তালেব এর নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রতিমাসে শূন্য পদের প্রতিবেদন মহাপরিদর্শক নিবন্ধন ঢাকা কে অবহিত করছেন বলে জানান।
সদর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার পদে একজনের বদলীর আদেশ তার দপ্তরে পৌঁছেছেন তবে যোগদান করেন নি বলে জানান।
সরকারের এ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটিতে মূল কর্মকর্তার পদটি শূন্য থাকায় গ্রাহক সেবা বঞ্চিত ই হচ্ছে না সরকারের রাজস্ব আদায় ও কমে যাচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।